মাথায় গুলি লেগেছিল কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ

malala yousufzai

মালালা ইউসুফজাই তার বাবা জিয়াউদ্দিন এবং তার দুই ছোটভাই এর সাথে বার্মিংহাম এর কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে

পাকিস্তানে নারী শিক্ষার দাবিতে আন্দোলনকারী স্কুল কর্মী মালালা ইউসুফজাইয়ের মাথায় গুলি লেগেছিল কি না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দেশটির ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা। গত মাসে ১৫ বছর বয়সী মালালা ইউসুফজাইসহ অন্য স্কুল ছাত্রীদের বহনকারী গাড়ি থামিয়ে
তার ওপর গুলি ছোঁড়ে তালেবানরা। এতে মালালার মাথা ও ঘাড়ে গুলি লাগে বলে মিডিয়ায় জানানো হয়। মালালা এখন ব্রিটেনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বুলেট মালালার মস্তিষ্কে কোন আঘাত না করেই বেরিয়ে গেছে। আরেকটি বুলেট তার ঘাড়ে আঘাত করেছে। পাকিস্তান সংসদের ইসলামপন্থী দল জমিয়ত উলামা-ই ইসলামের প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান ব্রিটিশ চিকিৎসকদের এ রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, মিডিয়াতে প্রকাশিত ছবিগুলো ছিল রহস্যজনক। ক্ষতস্থানের ব্যান্ডেজ সরানোর পর দেখা গেছে, মালালার মাথায় কোন ধরনের ক্ষতের চিহ্ন নেই। এতে বোঝা যায়, মালালার মাথায় কোন ধরনের আঘাত লাগেনি। ব্রিটেনের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, মালালা মাথায় নীল তোয়ালে জড়িয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে মালালা বিবিসি উর্দু সংস্করণে তালেবান শাসিত সোয়াত উপত্যকায় নারী শিক্ষার্থীদের অবস্থা নিয়ে লিখে আসছিল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তালেবানরা তার ওপর হামলা চালায়। এ হামলা নিয়ে পাকিস্তানসহ সারা বিশ্বে নিন্দার ঝড় ওঠে। চিকিৎসকরা বলছেন, মালালার বর্তমান অবস্থা ভালো হলেও পুরোপুরি সেরে উঠতে তার আরো কিছুদিন সময় লাগবে।

ব্লগার

পোষ্টটি লিখেছেন: ব্লগার

এই ব্লগে 25 টি পোষ্ট লিখেছেন .

সম্পাদক জনকন্ঠ ব্লগ।

ব্লগার

About ব্লগার

সম্পাদক জনকন্ঠ ব্লগ।
Tagged , , . Bookmark the permalink.

Comments are closed.