মিয়ানমারের আকিয়াবে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে মসজিদ-কুরআন শরীফ

মিয়ানমারের আকিয়াব শহরের প্রধান মসজিদ “বড় মসজিদ” জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।
মিয়ানমার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির আরাকান প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিম-বিরোধী যে অভিযান চলছে তারই অংশ হিসেবে এ জঘন্য ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
সীমান্তের ওপার থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, কয়েক মাস আগে মুসলিম-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকেই ‘আটশ’ বছরের পুরনো এ মসজিদটি তালাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, আজ দুপুরের দিকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী উগ্র কিছু লোক তালা ভেঙে মসজিদে ঢুকে পড়ে এবং বহু কুরআন-কিতাব বাইরে ছুঁড়ে ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা পবিত্র কুরআন শরীফকে আবমাননা করার জন্য রাবারের ফিতা দিয়ে জড়িয়ে পায়ে লাথি মেরে ফুটবল খেলেছে। কান্না জড়িত কণ্ঠে এ কথা জানিয়েছেন কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া এক আরাকানি মুসলমান।
এরপর দুষ্কৃতিকারীরা মসজিদের মূল ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় দু’ঘন্টা ধরে জ্বলতে থাকলেও স্থানীয় পুলিশ, সেনাবাহিনী বা ফায়ার ব্রিগেডের কেউ আগুন নিভানোর চেষ্টা করেনি।
শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বড় মসজিদের এক মাইলের মধ্যে থানা, আর্মি ও সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প রয়েছে।


আগুনে আশপাশের আরো পাঁচটি মুসলিম বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, সশস্ত্র রাখাইনরা ওই এলাকায় মৌলভীপাড়ায় মুসলমানদের বাড়ি ঘিরে রেখেছে। রাতে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে বলে আশংকা করছেন আকিয়াবের অবরুদ্ধ মুসলমানরা।

 প্রেস টিভি সংবাদ দেখুন

arakanblood

পোষ্টটি লিখেছেন: arakanblood

Arakan Blood এই ব্লগে 3 টি পোষ্ট লিখেছেন .

Tagged , , . Bookmark the permalink.

Comments are closed.